-->
  • Breaking News

    সে*ক্সে*র সময় স্ত*নের ভূমিকা..See more

     

    সে/ক্সের সময় স্তনের ভূমিকা: ইসলাম কী বলে?লেখাটি প্রত্যেকের পড়া উচিত কারণ..









    বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইসলাম অত্যন্ত উদার এবং স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শরীর থেকে আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। সেক্সের সময় স্ত্রীর স্তনের ভূমিকা এবং তা নিয়ে ইসলাম কী বলে, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:












    ১. স্তন উদ্দীপনা ও চোষন বৈধ (জায়েজ):ইসলামি শরীয়াহ অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শরীরের যেকোনো অংশ উপভোগ করতে পারেন, শুধুমাত্র পায়ুসঙ্গম (anal sex) এবং মাসিক/প্রসবোত্তর রক্তস্রাবকালীন সময়ে যৌনাঙ্গে মিলন নিষিদ্ধ। স্ত্রীর স্তন মর্দন, চুম্বন এবং চোষা বৈধ। স্বামী-স্ত্রী মিলনের পূর্বে একে অপরকে উত্তেজিত করতে স্তন উদ্দীপনা ব্যবহার করতে পারেন, যা ফুক্বাহাগণ মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) বলেছেন।
































    ২. দুধ পান নিয়ে সতর্কতা:স্ত্রী যদি দুগ্ধদানকারী মা হন এবং স্তন চোষার সময় দুধ বের হয়, তবে স্বামী সেই দুধ পান করবেন না। স্ত্রীর দুধ পান করা স্বামীর জন্য হালাল নয়।যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে বা ভুলক্রমে দুধ পেটে চলে যায়, তবে তাতে বিবাহ বিচ্ছেদ হবে না বা স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে না, তবে এটি পরিহার করাই শ্রেয়।
































    ৩. ফোরপ্লে-তে স্তনের ভূমিকা:ইসলাম সেক্সের আগে 'ফোরপ্লে' বা আদর-সোহাগকে গুরুত্ব দেয়, যাতে স্ত্রী যৌন তৃপ্তি পান। স্তন উদ্দীপনা বা নিপল স্টিমুলেশন নারীর উত্তেজনা বাড়াতে সাহায্য করে এবং এটি শরীয়তসম্মত।
























    ৪. শালীনতা ও রুচিবোধ:যদিও স্তন স্পর্শ বা চোষা বৈধ, তবুও সব বৈধ কাজ করা সবসময় প্রয়োজন নয়। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর যৌনতায় শালীনতা বজায় রাখতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কিছু আলেম মনে করেন, অতিরিক্ত বিকৃত যৌন আচরণ থেকে বিরত থাকা ভালো।
























    মূল কথা:স্বামী-স্ত্রী নির্জনে যেকোনো পন্থায় যৌন আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, যা তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি করে। স্তন উদ্দীপনা এর একটি বৈধ অংশ।💖✅✅