-->
  • Breaking News

    ইসলামে স'হবাসের সময় যেসব কথা বলা সম্পুর্ন নিষেধ, জেনে রাখুন তথ্যটি


    সহবাসের সময় কিছু কথা বলা বা কাজ করা নিষেধ, যেমন — ঋতুস্রাব বা প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাবের ( হায়েয/নিফাস) সময় মিলন, পায়ুপথে মিলন, একে অপরের গোপনীয়তা প্রকাশ করা, এবং আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কিছু বলা, অথবা এমন কিছু বলা যা সম্পর্ককে কলুষিত করে; তবে সহবাসের সময় কথা বললে সন্তান তোতলামি বা বোবা হবে— এমন ধারণা ভিত্তিহীন, কিন্তু অশ্লীল বা আপত্তিকর কথা বলা উচিত নয়, বরং আন্তরিকতা ও আল্লাহর স্মরণ জরুরি। 

    সহবাসে যা যা নিষেধ (ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে):

    ঋতুস্রাব ও নিফাস: মাসিকের রক্ত চলাকালীন বা প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাবের (নিফাস) সময় সহবাস করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

    পায়ুপথে মিলন: এটি সম্পূর্ণ হারাম এবং মারাত্মক পাপ হিসেবে গণ্য।

    গোপনীয়তা ভঙ্গ: স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় বা গোপন কথা বাইরে প্রকাশ করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ।

    অশ্লীল বা নোংরা কথা: উত্তেজক নামে বা অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত, যা সম্পর্ককে খারাপ করতে পারে।

    আল্লাহর স্মরণ ছাড়া: আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ না করে সহবাস শুরু করা উচিত নয়, এবং শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া উচিত। 

    যা করা উচিত:

    আন্তরিকতা ও নিয়ত: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং নিজেকে ও পরিবারকে পাপ থেকে রক্ষা করার নিয়ত রাখা।

    শিষ্টাচার ও ভালোবাসা: সহবাসের আগে ভালোবাসা, চুম্বন ও খেলাধুলা করা।

    আল্লাহর দুআ: "বিসমিল্লাহ, আল্লাহুম্মা জান্নিবনাالش شيطان wa jannib al-shaytan ma razqtana" (হে আল্লাহ! আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদের যা দান করবেন, তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন) পাঠ করা।

    ভিত্তিহীন ধারণা থেকে দূরে থাকা: সহবাসের সময় কথা বললে বা উলঙ্গ অবস্থায় করলে সন্তানের ক্ষতি হয়—এমন কথাগুলো ভিত্তিহীন ও মিথ্যা (জাল হাদীস)। 

    নিষিদ্ধ সময়:

    মাসিক বা নিফাস অবস্থায়।

    রমজানের দিনের বেলায়।

    ইহরাম অবস্থায় (হজ্জ বা উমরাহ পালনকালে)।

    অন্য কোনো নির্দিষ্ট বার বা তিথি নেই, বরং যখন সুযোগ হয় তখনই বৈধ, তবে উপরোক্ত নিষিদ্ধ সময়গুলো ছাড়া।