-->
  • Breaking News

    পুরুষদের শু’ক্রা’ণু বৃদ্ধি ও সন্তান সম্ভাবনা বাড়াতে যা খাবেন, গো’পন পরামর্শ!


     অনেকে এখনও বিশ্বাস করেন সন্তান ধারণে সমস্যা শুধুই নারীর কারণে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক সময় পুরুষের বন্ধ্যত্বই দম্পতির সন্তান না হওয়ার প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুক্রাণুজনিত সমস্যা যেমন শুক্রাণু তৈরি না হওয়া, পরিমাণ কম থাকা, গতি বা আকৃতিতে ত্রুটি এবং সহবাসে অক্ষমতা হতে পারে বন্ধ্যত্বের মূল কারণ।


    ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রধান পরামর্শক অধ্যাপক ডা. মোসাম্মাত রাশিদা বেগম জানান, আধুনিক জীবনযাপন, পরিবেশ দূষণ, অতিরিক্ত গরমে কাজ, ধূমপান, অ্যালকোহল গ্রহণ, ভিটামিন ও জিংকের ঘাটতি, কীটনাশকযুক্ত খাবার – এগুলো শুক্রাণুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া ডায়াবেটিস, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, হেপাটাইটিসের চিকিৎসা, গ্যাস্ট্রিকের অ্যান্টি আলসারেন্ট, হার্টের ওষুধ, ক্যান্সারের কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপিও শুক্রাণুর উৎপাদন কমাতে পারে।


    শুক্রাণু বৃদ্ধি ও প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করতে বিশেষজ্ঞরা কিছু খাবার পরামর্শ দিয়েছেন:


    আনারস: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত করে।


    ওয়ালনাট (আখরোট): ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা শুক্রাণুর ক্ষিপ্রতা ও জীবনশক্তি বাড়ায়।


    ব্ল্যাক চকলেট: এল-আরজিন অ্যামাইনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, শুক্রাণুর সংখ্যা ও মান বাড়ায় এবং ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেল থেকে রক্ষা করে।


    টমেটো: লাইকোপেন উপাদান শুক্রাণুর গুণমান বাড়ায়; রান্নার সময় জলপাই তেল ব্যবহার করলে আরও কার্যকর।


    কুমড়োর বীজ: জিংক, ফাইটোস্টেরল ও টেস্টোস্টেরন হরমোনের উপস্থিতি শুক্রাণু উৎপাদন বাড়ায়।


    অতিরিক্ত পরামর্শ: ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন, শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। গুরুতর চিকিৎসা বা কেমোথেরাপির আগে শুক্রাণু সংরক্ষণ করার কথা ভাবুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আইইউআই বা টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতি গ্রহণ করুন।


    পুরুষদের বন্ধ্যত্ব আজ আর লুকানো বিষয় নয়। সচেতনতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং চিকিৎসার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করা সম্ভব।